top of page

ছিন্নশির ও জ্যোতির্বলয়

  • Writer: কমল ভৌমিক
    কমল ভৌমিক
  • Sep 21, 2021
  • 1 min read

Updated: Sep 30, 2021

নিহত কবির জন্য একটি কবিতা

একটা নাম ইতিহাসের পৃষ্ঠা থেকে

মুছে দেওয়াটা জরুরি ছিল বলে

সেই কাকভোরে চেনা ময়দান

হয়ে উঠেছিল বধ্যভূমি।

সামনে তাকিয়ে কয়েকটা পা

হেঁটেছিল সে। পিছনে ক্ষমতার উৎস

থেকে একটা আগুনে সিসের টুকরো

ধেয়ে এসে মেঘ মেঘ সকালটা ছিঁড়ে

৫ই আগস্টের সকালে বদলে গিয়েছিল।

এরপর শিরচ্ছেদের পালা। কেউ শনাক্ত

করতে পারবে না ওই লাশ, মাতৃগর্ভে

থাকা কোনও ভ্রুণ জানবে না আর

কার ছিল সেই স্পর্ধিত অবয়ব -

এই ভেবে নিয়ে মহামূর্খ ঘাতকদল

ঔদ্ধত্যের রুমালে হাত মুছেছিল।

শেষ হয়ে যাওয়া সেই প্রাণের উত্তাপে

মেঘ গলেছিল জলকণা হয়ে হয়ে

জলকণাগুলি অশ্রুফোঁটার মতো

স্থিত হয়েছিল ঘাসে ও শরীরে তার।

কিছু কথা তারপরেও যে রয়ে যায়,

যেভাবে স্ফুলিঙ্গ বেঁচে থাকে, নিজে

শেষ হয়ে গিয়ে দাবানল জ্বেলে দিয়ে।

প্রথম সূর্য সেই শিরহীন মৃতদেহটিকে

আড়াল করল জ্যোতির্বলয় দিয়ে

যে বলয় থেকে আলোময় উচ্ছাস

ছড়িয়ে পড়েছে দন্ডকবন হয়ে

শাহিনবাগেতে, সিংহু ও সিঙ্গুরে।

বন্ধু, আজকে বুক ভরে শ্বাস নাও,

এই তো সময়, দু’হাতের পাতা এক করে

ভয়হীন সে আলোকে বাঁচিয়ে রেখে।

Comments


bottom of page